ফ্রিল্যান্সিং এবং অনলাইন আর্নিং নিয়ে আমি বেশ কিছু পোস্ট অলরেডি দিয়েছি। কয়েকটি পোস্টে আমি প্র্যাকটিক্যালি দেখিয়েছি কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং এর বিভিন্ন কাজ আমরা শিখবো । যারা আমাদের পোস্ট গুলো নিয়মিত পড়েন তারা অনেকই এই প্রশ্নটি করেছেন ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো এবং আমাদের কাছে একটি কমপ্লিট গাউডলাইন চেয়েছেন। আজকের পোস্টে আমি আপনাদের প্রশ্ন ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো এর উত্তর দেয়ার পাশাপাশি আপনাকে যে গাইডলাইন দিব তা যদি আপনি ফলো করেন, তাহলে আমি আপনাকে দিয়ে অনলাইনে আয় করিয়েই ছাড়বো।


ফ্রিল্যান্সিং শিখার প্রথম ধাপে আমরা শিখবো কিভাবে কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট ব্যবহার করতে হয়। তারপর গুগলের এবং ইউটিউবের কাছ থেকে সঠিক ইনফরমেশন কালেক্ট করে আমরা ফ্রিল্যান্সিং শিখবো। স্টেপ বাই স্টেপ ফ্রিল্যান্সিং এর যাবতীয় কাজ আমরা শিখবো এবং এক্সপার্ট ফ্রিল্যান্সার হবো। এর জন্য আমাদের যা কিছু প্রয়োজন হবে, কিভাবে কোথা থেকে শুরু করতে হবে সবকিছু সম্পর্কে একটি পরিপূর্ণ গাইডলাইন আমরা এই পোস্টে পাব।


ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো

২০২২ সালে এসে অনলাইনে উপার্জনের পরিধি সম্পর্কে আর কেউ নতুন নয়। তারপরেও এখানে আমরা একেবারে ব্যসিক থেকে শুরু করছি। এখন আমরা বেশ কিছু স্টেপ ফলো করে ফ্রিল্যান্সিং শিখবো। প্রথমে আমাদের বেসিক এবং ইন্টারমিডিয়েট অত্যাবশ্যকীয় কিছু স্কিল অর্জন করতে হবে। আমি এখানে কমপ্লিট একটা লিস্ট দিয়েছি। ভালো করে দেখুন আপনার যদি এই স্কিল গুলো ভালো থাকে তাহলে নেক্সট স্টেপ ফলো করুন। আর এই স্কিল গুলো কিভাবে শিখবো সে প্রশ্নের উত্তর আমি লিস্টের নিচে দিয়েছি।


বেসিক নলেজ

1. PC on/off

2. Composing

3. Office (Ms-word, PPT, Excel)

4. Program work

5. Console easy route

6. Paint resizing

7. Picture origination

8. Cutting device

9. Web search tool

10. Web world

11. Gmail 12. Printing

13. FB account

14. Catchphrase investigating

15. PC inconvenience

16. Join

17. Online Registration process

18. Downloading

19. Essential programming utilizing

20. Modem, Internet, Broadband, area of interest arrangement

21. Notebook

22. Screen capture

23. JPG/PNG/GIF

24. Google Chrome/Mozilla Firefox

25. Email Marketing Basic Concept

26. Connect

27. URL

28. Space

29. Facilitating

30. Compress document

31. Copywriting

32. Data transfer capacity

33. Subject/layout

34. Slide

35. Twitter

36. LinkedIn Profile

37. Symbol Search

38. Duplicate, Paste, Save Image, and Document

39. IDM Manager

40. Expansion

41. Blog origination

42. Google drive

43. Intermediary server

44. Program Advanced setting

45. IP address

46. Macintosh address

47. Confirmation

48. What is Digital Marketing


ইন্টারমিডিয়েট নলেজ

1. Miniature laborers

2. Server

3. Viewpoint

4. VPN

5. VPS

6. Notebook +

7. Canva.com

8. Progressed Google search

9. Tin Eye-Image copywriting

10. Catchphrases

11. Page Rank

12. Adsense information

13. CPC

14. PPC

15. CPM

16. YouTube Channel

17. Blog

18. Discussion

19. FB Page

20. FB bunch

21. Commercial center

22. Installment Method

23. Lead

24. Traffic

25. Google Trends

26. Applications

27. Online Software

28. Extractor

29. Layout

30. Subject

31. Essential HTML Tag

32. Pinterest acc.

33. Instagram acc.

34. PowerPoint - Image creation

35. Progressed Excel

36. Progressed PPT

37. Rapportive for mail

38. Tool compartments

39. Photoshop/Illustrator Software

40. WordPress essential idea


এই বেসিক এবং ইন্টারমিডিয়েট নলেজ গুলো কিভাবে শিখবো? খুবই সহজ, প্রতিটি টার্ম আপনি গুগল এবং ইউটিউব থেকে শিখে নিবেন। গুগলে অথবা ইউটিউবে গিয়ে লিখবেন আর সার্চ দিবেন সাথে সাথেই আপনি সবকিছু পেয়ে যাবেন। মনে রাখবেন, আপনার এই নলেজগুলো যত বেশি স্ট্রং হবে আপনি তত ভালোভাবে ফ্রিল্যান্সিং শিখতে পারবেন। আর এই নলেজ গুলোতে যদি আপনার দুর্বলতা থাকে, তাহলে আপনি ফ্রিল্যান্সিং এর জগতে টিকে থাকতে পারবেন না আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারি।


হতাশ হবার কোন কারণ নেই। আপনার যদি লিস্টের সবগুলো কাজ জানা থাকে তাহলে ধরে নিন আপনি ফ্রিল্যান্সিং এর ৭০% অলরেডি শিখে ফেলেছেন। এবার আসুন দেখি কিভাবে বাকি ৩০% শিখবো।


ফ্রিল্যান্সিং শিখার জন্য কোন কোন বিষয়ে রিসার্চ করা দরকার?

ফ্রিলান্সিং শিখতে হলে কিছু ব্যাপার মনে রাখতে হবে। কোন একটা টপিক বা বিষয়ের উপর বার বার পড়া। তবে বিভিন্ন অনলাইন সাইটে গিয়ে আপনাকে জানতে হবে আর তখন মনে রাখতে হবে


What to do?

How to do?

Where to do?

পৃথিবীর সবচেয়ে বড় জ্ঞ্যানভান্ডার

Google

YouTube

যেসব বিষয়ে রিসার্চ করা দরকার

(Research Topics for Make Money Online)


1.Content Writing or blog composing

Online Surveys

Web looking (Paid)

Beginning your own Website

Site Review

Article composing for site

CPA Marketing and Affiliating Website

Functioning as Micro-Worker/Click specialist/Rapid Worker

Web optimization - like Keyword Research

Face book Marketing

Twitter Marketing

LinkedIn Marketing

Pinterest Marketing

Information Entry

Email Marketing

Visual computerization

Website composition and Development

YouTube Marketing

Amazon Seo

Menial helper

Adsense

Elective Adsense

Versatile applications

Statistical surveying

Educating on the web

Composing digital book

YouTube channel

Interpreter

Record occupations

Selling Photos Online

Purchase SellingWebsite, Domain Name, or Mobile Apps

Turning into a Website Tester

Turn into a Guest Writer to Earn Money Online

by Becoming an Online Researcher

এই যে লিস্ট টা দেখলেন, এখান থেকে প্রতিটি কাজই খুবই ডিমান্ডেবল। এর মধ্যে যে কাজগুলো আপনার ভালো লাগবে আপনি সেগুলো শিখে ফেলুন। এগুলো শিখতে পারলে ফ্রিল্যান্সিং এর জগতে আপনি নিশ্চিত ভাবে সফল হবেন। তবে অনলাইন প্রতিনিয়ত আপডেট হচ্ছে, তাই নিজেকে সবসময় আপডেট রাখতে হবে। সবসময় নতুন কিছু শিখতে হবে।

কিভাবে ফ্রিল্যান্সার হওয়া যায়

ফ্রিল্যান্সিং শিখে আপনি হবেন একজন ফ্রিল্যান্সার। এবার আমরা জানবো কিভাবে ফ্রিল্যান্সার হওয়া যায়। স্টেপ বাই স্টেপ ফলো করুন


নিস বাছাই করুন

এতক্ষণে আপনি যা কিছু জানলেন এবং শিখলেন, এর মধ্যে যে কাজটি আপনার সবচেয়ে বেশি ভালো লাগবে এবং যে কাজে আপনার সমসময় আগ্রহ থাকবে সে কাজটি সিলেক্ট করুন। আমি ধরে নিচ্ছি আপনি ইউটিউব মার্কেটিং চয়েজ করেছেন। এবার আপনি ইউটিউব মার্কেটিং এ এক্সপার্ট হয়ে যান।

এবার চলুন দেখে নিই, যদি আপনাকে কেউ ইউটিউব মার্কেটিং এর কাজ দেয় তারপর কি হবে। যে আপনাকে কাজ দিবে, সে আসলে চাইবে আপনাকে দিয়ে তার বিজনেজ প্রমোট করতে। এখন আপনার ইউটিউব চ্যানেল প্রমোট করতে হলে আরো বেশ কিছু প্লাটফর্মে কাজ করতে হবে। যেমন, ফেসবুক, লিঙ্কডিন, ইন্সতাগ্রাম, টুইটার, রেডিট এবং আরো কিছু সোস্যাল সাইট।

পোর্টফোলিও

আপনি যে নিস বাছাই করেছেন এবং কাজ শিখেছেন, এগুলো কোথায় করছেন? আমার সাজেশন ফলো করুন। প্রতিটি প্লাটফর্মে নিজের নামে প্রোফাইল তৈরি করে কাজ শিখতে থাকুন। তাহলে সবচেয়ে বড় যে সুবিধা টা হবে তা হল, আপনার নিজের অনলাইন প্রেজেন্স তৈরি হবে। তখন আপনি যে পরিচিতি লাভ করবেন, তারা আপনার সাথে যোগাযোগ করবে আপনাকে কাজ দেওয়ার জন্য।


আপনাকে বার বার একটা কথাই বলব, আপনি যদি অনলাইনে নিজের ক্যারিয়ার গড়তে চান এবং ফ্রিল্যান্সিং এ সফল হতে চান তাহলে অবশ্যই নিজের একটা পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট বানিয়ে নিন। এর জন্য আপনার ডোমেইন হোস্টিং কিনতে হবে। মাত্র ২হাজার টাকায় হয়ে যাবে।

মার্কেটপ্লেস

পোস্টের শুরু থেকে আমি আপনাকে যা কিছু বলে এসেছি সব কাজ কমপ্লিট হলে এবার আপনি মার্কেটপ্লেসে আসুন। লোকাল মার্কেট এবং ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটে যারা কাজ করছে তাদের স্কিলের সাথে নিজের স্কিলের তুলনা করুন। দেখুন তারা কি কি সার্ভিস দিচ্ছে। আপনার মাঝে কাজ শিখার যদি কোন প্রকার ঘাটতি থাকে তা আগে পূরণ করুন। তারপর আপনি কাজ খুঁজুন বা আপনার সার্ভিস সেল করা শুরু করুন।


Fiverr.com এ আপনি একটি একাউন্ট তৈরি করে প্রতিটি কাজ শিখার সাথে সাথে একটি করে গিগ তৈরি করে রাখুন এবং নিয়মিত একটিভ থাকুন।

প্রাইস নির্ধারণ

আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আপনি কি ধরণের সার্ভিস দিচ্ছেন তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করুন। অন্যরা কি রকম প্রাইস নিচ্ছে এবং নিজের কাজের পারিশ্রমিক তুলনা করে আপনার সার্ভিসের প্রাইস নির্ধারণ করুন। এক্ষেত্রে আপনি কখনো প্রাইস অতিরিক্ত কম বা বেশি দিবেন না। তাহলে কখনো ক্লায়েন্টের বিশ্বাস অর্জন করতে পারবেন না। আর আপনার সার্ভিস আপনি সেল দিবেন, সেটা আপনি নিজেই ভালো বুঝবেন কিভাবে একজন ক্রেতার মন জয় করতে হয়।

স্কিল লেভেল আপ করুন

প্রতিনিয়ত নতুন কিছু শিখতে থাকুন, আপনার নিশ রিলেটেড। সবসময় চেষ্টা করুন নিজেকে সবার থেকে আলাদা ভাবে প্রেজেন্ট করতে। আপনি নিশ্চয়ই জানেন, ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড প্রতিনিয়ত কতটা আপডেট হচ্ছে। তাই নিজেকে আপডেট রাখার কোন বিকল্প নেই।


ডিজিটাল মার্কেটং

নিয়মিত কন্টেন্ট পোস্ট করুন

যেসব জাগায় আপনার অনলাইন প্রোফাইল আছে সব জাগায় নিয়মিত কন্টেন্ট পোস্ট করুন। সপ্তাহে অন্তত ১টি করে অবশ্যই পোস্ট করুন। আপনার ইন্ডাস্ট্রি রিলেডেট আপনার কাজের এক্সপেরিয়েন্স শেয়ার করতে পারেন। এই একটি প্র্যাকটিস আপনার ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার কে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে। কেননা মানুষ হিসেবে আমাদের ফলো করা এবং রেফারেন্সে বিশ্বাসী হওয়ার প্রবণতা খুব বেশি।


অনলাইন প্লাটফর্ম গুলোতে আপনার নিয়মিত এক্টিভিটি আপনার অডিয়েন্স বাড়িয়ে তুলবে। তখন আপনার কাজ পাওয়ার পরিমাণ ও বাড়বে। আর একটা বিষয়ের প্রতি সবসময় মনোযোগী হবেন, যখনই নতুন কিছু শিখবেন, সবার সাথে তা শেয়ার করবেন, এটি আপনার কাজের দক্ষতা বহুগুণে বাড়িয়ে তুলবে।

Conclusion

ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো ক্যারিয়ার গাইডলাইন সহ পরিপূর্ণ গাইডলাইন এই পোস্ট থেকে পাইলেন। আপনি যদি এগুলো ফলো করতে পারেন এবং যেভাবে আমি বলেছি ঠিক সেভাবে নিজেকে প্রস্তুত করতে পারেন তাহলে নিশ্চিতভাবে সফল হবেন। আপনার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি পরামর্শ থাকবে, কখনো মিসগাইড হবেন না। সবসময় এক্সপার্ট দের খুঁজে বের করে তাদের পরামর্শ নিবেন। কে কি করল তা দেখে কখনো লোভে পড়বেন না বা ইন্সপায়রেশন নিতে যাবেন না। তাহলে আপনি সবচেয়ে বড় ভুলটি করবেন।


নিজের দক্ষতার উপর সবসময় বিশ্বাস রাখুন। আপনি যা পারবেন না, আপনাকে দিয়ে যা সম্ভব নয় তা নিয়ে মিছে স্বপ্ন দেখবেন না। আপনি যা পারেন, যে কাজের উপর আপনার আগ্রহ বা ভালোবাসা আছে তা নিয়ে সামনে এগিয়ে যান। নিজেকে দক্ষ করে তুলুন। মনে রাখবেন, অনলাইনে কোন কাজের ডিমান্ড বা ভ্যালু কম নয়। যে কাজই করেন না কেন, দক্ষতা ভালো থাকলে জীবনে অনেক উপরে উঠতে পারবেন।